চেয়ারম্যান সমর্থকদের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত বাজারের ১৫টি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট!

প্রকাশিত: ৮:৫৫ অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২১ | আপডেট: ৮:৫৫:অপরাহ্ণ, মার্চ ২০, ২০২১

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহ-ঝিনাইদহের নারিকেল বাড়িয়ায় দুই ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সমর্থকদের সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এসময় বাজারের ১৫টি দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়েছে। শুক্রবার (১৯ মার্চ) রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ৪ রাউন্ড শর্ট গানের ফাঁকা গুলি ছুড়ে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ২২ জনকে আটক করা হয়েছে। জানা গেছে, ঘোড়শাল ইউনিয়নের নারিকেলবাড়িয়া বাজারে একটি দোকানে কেরাম খেলছিল পার্শ্ববর্তী দোগাছী ইউনিয়নের বেড়পাড়া গ্রামের বিষুর ছেলে। খেলা শেষে নিজের পকেট থেকে টাকা বের করে গুনতে থাকে সে।

এসময় নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের বিপ্লব বলে, তুই এখানে টাকা গুনছিস কেনো? এ নিয়ে তর্ক বিতর্কের এক পর্যায়ে দোগাছী ইউপি চেয়ারম্যান ইছাহাক জোয়ারদারের ছেলে তারিকসহ অন্তত ১০/১২ এসে ঘোড়শাল ইউপি চেয়ারম্যান পারভেজ মাসুদ লিটনের সমর্থক বিপ্লবকে মারধর করে। ঘটনা জানতে পেরে ঘোড়শাল ইউপি চেয়ারম্যানের সমর্থকরা সেখানে হামলা চালায় এবং দোকানপাট ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এ নিয়ে উভয় চেয়ারম্যানের সমর্থকদের মধ্যে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে রাত ১০টা পর্যন্ত। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

সংঘর্ষের ঘটনায় নারিকেল বাড়িয়া ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক অমিত কুমার ও দুই কনস্টেবল আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে বিপ্লব ও শাসুদ্দিন মন্ডলকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৪ রাউন্ড শর্ট গানের ফাঁকা গুলি ছুড়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি শান্ত রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে উভয় গ্রুপের ২২ জনকে আটক করা হয়েছে।